নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত রিপোর্ট: নতুন গ্রেড ও নবম জাতীয় বেতন কাঠামোর বিস্তারিত

Also Read

নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত রিপোর্ট নতুন গ্রেড ও নবম জাতীয় বেতন কাঠামোর বিস্তারিত


দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (নবম পে স্কেল) বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকার তিনটি ধাপে এই নবম পে স্কেল কার্যকর করতে যাচ্ছে। 

  • জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ আগামী জানুয়ারি ২০২৬ সালের মধ্যে জমা দেওয়া
  • উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ
  • চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কমানো এবং কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করাই নিম্ন গ্রেডে বেতন বাড়ানোর মূল লক্ষ্য। দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালনে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো সহায়ক হবে।

নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত রিপোর্ট: সারসংক্ষেপ
বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা ২০টি
প্রস্তাবিত গ্রেড সংখ্যা ১৩টি
প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন বেতন ৩২,০০০ টাকা
প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ বেতন ১,২৮,০০০ টাকা
গত ১০ বছরে প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধি গড়ে ৯০%–৯৭%
সরকারের বাড়তি বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকা

গ্রেড প্রস্তাবিত বেতন (টাকা)
গ্রেড–২ ১,২৭,৪২৬
গ্রেড–৫ ৮৩,০২০
গ্রেড–৮ ৪৪,৪০৬
গ্রেড–১০ ৩০,৮৯১
গ্রেড–২০ (নিম্নতম) ১৫,৯২৮

অর্থনীতিবিদদের মতে, বেতন বৃদ্ধির ফলে কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে সেই সাথে কর রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে। তবে বাড়তি বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বেতন কাঠামোর স্বচ্ছ বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াতে পারে।

নবম পে স্কেল কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ এবং বেতন বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে কর্মজীবীদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়বে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রত্যাশা করছে, ২০২৬ সালের শুরুতে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (নবম পে স্কেল) কার্যকর হলে তা শুধু বেতন বৃদ্ধিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনসেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


Top Job Team

Top Job

আমাদের Top Job সাইটে আপনাকে স্বাগতম! ৩ বছরের বেশি সময় ধরে আমরা বাংলাদেশের সেরা চাকরির খবর ও বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক গাইডলাইন দিয়ে আসছি।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url