প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: নির্বাচিতদের যা যা করতে হবে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) জানিয়েছে, তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় মোট ১৪,৩৮৪ জন প্রার্থীকে বাছাই করা হয়েছে।
লিখিত, মৌখিক এবং উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম দেখে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো কাজ হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী। গত বছর নভেম্বর মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়, আর সব পরীক্ষা–যাচাই শেষ করে এখন ফল প্রকাশ হলো।
নির্বাচিতদের যা যা করতে হবে
DPE নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য কিছু সহজ ধাপ ঠিক করেছে।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি এর মধ্যে জমা দিতে হবে
- সিভিল সার্জনের স্বাস্থ্য সনদ
- ডোপটেস্ট রিপোর্ট
এসব জমা দিতে হবে নিজের জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে।
এর পরে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ এর মধ্যে সশরীরে গিয়ে দিতে হবে
- মূল সনদপত্র
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- তিন কপি পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম
- স্বাস্থ্য সনদ
কি কি কারণে প্রার্থীর সুযোগ বাতিল হতে পারে?
- DPE স্পষ্ট করে বলেছে, কেউ ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তাঁর নির্বাচন সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হবে।
- পুলিশ ভেরিফিকেশনে যদি কোনো নেতিবাচক রিপোর্ট আসে বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের প্রমাণ মেলে, তাহলে নিয়োগ হবে না।
- স্বাস্থ্য পরীক্ষার নথি দেরিতে দিলে বা জমা না দিলে প্রার্থী সুযোগ হারাবেন।
- সময়মতো উপস্থিত না হলে প্রার্থীর নির্বাচন বাতিল হবে।
বছরের পর বছর ধরে চলা এই প্রাইমারি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় আশা করা হচ্ছে শিক্ষক সংকট অনেকটাই কমে যাবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে নির্বাচিতদের বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, এই নিয়োগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ফলাফল, প্রাইমারি রেজাল্ট, dpe.gov.bd result, dpe.teletalk.com.bd–সহ সব ধাপই আরও সহজ হচ্ছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন গতি আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
